Daily Archives: August 1, 2016

৫টি উপায়ে ফেসবুকে নিরাপত্তা দিন। যাতে আপনার অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষা থাকে।

কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালোই আছেন। অনেকের কাছে শোনা যায় ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে বা নষ্ট হয়েগেছে এর কারণ হচ্ছে সঠিক ভাবে ফেসবুকে নিরাপত্তা না দেওয়ার জন্য। ফেসবুক আমাদের একটি প্রয়োজনীয় স্যোসাল নেটওয়্যার্ক হয়েগেছে। আমাদের ফেসবুকে অনেক তথ্য থাকে যা অন্যের হাতে পড়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। তাই আমি একটা কথাই বলব আসুন আমাদের ফেসবুকে সঠিক ৫টি নিরাপত্তা দিয়ে দেই যাতে করে আমাদের ফেসবুক আইডিটি সুরক্ষা থাকে। তাহলে আসুন আর কথা না বাড়িয়ে উপায় জেনে নেই।

১. লগ ইন অ্যালার্ট ব্যবহার করুন : কেউ যদি আপনার ফেসবুক আইডিতে লগ ইন করার চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে জানান দেবে ফেসবুক। এর জন্য ফেসবুকে লগ ইন করে সেটিংস মেনুতে যান। সিকিউরিটিতে ক্লিক করে লগইন অ্যালার্টস-এ গিয়ে এডিট করুন। গেট নোটিফিকেশনস এবং ইমেইল লগ ইন অ্যালার্ট চালু করুন। এটি সেভ করুন। কেউ আপনার অগোচরে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চাইলে তার তথ্য দেবে ফেসবুক। প্রতিবারই লগইন করলে অ্যালার্ট পাবেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট যন্ত্র থেকে লগইন করার বিষয়টিও ঠিক করে রাখতে পারবেন। নতুন কোনো ব্রাউজার থেকে নতুন যন্ত্রের লগইন করার সময় ফেসবুক এটাকে মনে রাখবে কিনা তা জানতে চাইবে। করতে চাইলে সেব ব্রাউজার করতে হবে।

২. রিকোয়েস্ট লগইন অ্যাপ্রোভালস : নিজের অ্যাকাউন্টে কিভাবে লগইন করবেন তাও নজরদারি করে ফেসবুক। কয়েকটি পদক্ষেপ নিলেই আগের অব্যবহৃত কোনো যন্ত্র থেকে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টেল লগইন করলে তা দেখবে ফেসবুক। সিকিউরিটি সেটিংস-এ গিয়ে ‘রিকোয়ার এ সিকিউরিটি কোড টু অ্যাকসেস মাই অ্যাকাউন্ট ফ্রম আননোন ব্রাউজারস’ লেখা বক্সে ক্লিক করুন। একটি সিকিউরিটি কোড পাওয়ার জন্য লিখিত নির্দেশনা অনসরণ করুন এবং পাসওয়ার্ড পুনরায় দিন। রিকোয়েস্টটি নিশ্চিতকরণের পর একটি বক্স পপ আপ হবে যাতে প্রক্রিয়াটি সম্পন্নের বিষয়ে তথ্য দেওয়া থাকবে। এখানে ‘নো থ্যাঙ্কস, রিকোয়ার এ কোড রাইট অ্যাওয়ে’ লেখা বক্সে ক্লিক করতে হবে।

৩. বাড়তি কোড হাতে রাখুন : লগইন অ্যাপ্রোভালস চালু করলে নতুন স্থান থেকে লগ করার সময় নিরাপত্তা কোড চাইবে। এটা টেক্সটের মাধ্যমে বা কোড ডেনারেটর শাখা থেকে তা উদ্ধার করতে হবে। যদি ফোন বা ট্যাবে প্রবেশ করতে না পারেন, তারপরও লগইন করতে কোড লাগবে আপনার। এর জন্য ফেসবুক ১০টি এলোমেলো কোড দেবে আপনাকে। এসব কোডের যে তালিকা দেখাবে তা প্রিন্ট করে রেখে দিন।

৪. কোথায় লগইন এবং লগ আউট করেছিলেন তা খেয়াল রাখুন : যদি অন্য কোনো যন্ত্র থেকে ফেসবুকে প্রবেশ করেন এবং লগ আউট করতে ভুলে যান, তবে যে কেউ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দেখতে পারেন। নিজের ব্রাউজার থেকে ফেসবুক সিকিউরিটি সেটিংস-এ ‘হোয়ার ইউ আর লগড ইন’-এ যান। আপনার সাম্প্রতিক লগইন তালিকাটি দেখুন।

৫. ট্রাস্টেড অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস অ্যাড করুন : যদি কারো জন্য ফোন ও ইমেইলে অ্যাকসেস না পান তবে সিকিউরিটি কোডের দরকার নেই। ফেসবুকের কাছের বন্ধুদের কাছ থেকে লগইন কোড সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি দুজন দুজনের বিশ্বস্ত হয়ে থাকেন, তবে দারুণ মিলবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টস পৃথক বিষয়। কারো অবর্তমানে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দেখাশোনা করতে বৈধ অনুমতি লাগবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টটি টাইমলাইনে পিন করে রাখা যাবে। এতে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বা প্রোফাইলের ছবি আপডেট হয়ে যাবে। এমনকি একটি সময়ের পর অ্যাকাউন্টটি মুছেও ফেলা যাবে। এসব কাজ সিকিউরিটি সেটিংস-এর ট্রাস্টেড কন্ট্যাক্টস অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস-এর অধীনে সম্পন্ন করা সম্ভব।

Content Writer : রোহান বিশ্বাস

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের আদ্যোপান্ত! জেনে নিন সবচেয়ে সহজে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার কৌশল!

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন প্রদানের মাধ্যমে পন্য বিক্রয় এখন বিশ্বজুড়ে ছোট থেকে মাঝারি ব্যবসায়ীদের কাছে কম সময়ে ব্যবসা করে সফল হওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় হাতিয়ার। আমরা বাস করছি ডিজিটাল পৃথিবীতে, এখানে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না। চিন্তা করে দেখুন! এখন সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেকোনো খবর পৌঁছে যাচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে। আপনি যদি ব্যবসায়িক কাজে এই মিডিয়া ব্যবহার করেন তাহলে কম সময়ে দারুণ রেজাল্ট পাওয়াটাই কি স্বাভাবিক ব্যাপার নয়? সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত মিডিয়া হচ্ছে ফেসবুক। ফলে একজন ব্যবসায়ির জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপন হতে পারে সবচেয়ে দ্রুত ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর সেরা উপায়। আপনি যদি এখনও না জেনে থাকেন, ফেসবুক বিজ্ঞাপন কীভাবে আপনার কোম্পানির প্রচার প্রকিয়াকে তরান্বিত করতে পারে, তাহলে নিচের লেখাগুলো পড়ুনঃ

কেন আপনি ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেবেন?

বর্তমান সময়ে ফেসবুক বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে, আপনি আপনার ফেসবুক পেইজের বেশিরভাগ টিউন বুস্ট করতে পারবেন, যার মধ্যে আছে স্ট্যাটাস আপডেট, ছবি, ভিডিও, নিউজ আরও অনেক কিছু! যে টিউনে আপনি একটি পেইড বুস্ট দেবেন, সেই টিউন অনেক বেশি হারে আপনার ক্রেতাদের নিউজ ফিডে দেখানো হবে। ফলে বেশিরভাগ মানুষ আপনার টিউনটি দেখতে পাবে এবং আপনার পন্যের প্রসার বাড়বে। ফলে আপনার একটি নির্দিষ্ট পন্য বিক্রির হাড়ও বেড়ে যাবে অনেক গুনে।

 

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন এর জন্য পেমেন্ট মেথড কি কি ?

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পেমেন্ট মেথড গ্রহন করে থাকে। আপনি এর মধ্যে যেকোনো মেথড ব্যবহার করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের জন্য পেমেন্ট করতে পারবেনঃ

  • ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড
  • ভিসা কার্ড
  • মাস্টার কার্ড
  • আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ড
  • ডিসকভার
  • পেপাল
  • কিউকার্ড

কিন্তু একটা সমস্যা আছে এক্ষেত্রে। উল্লিখিত সকল পেমেন্ট মেথড বাংলাদেশে সহজলভ্য নয়। আমাদের দেশের একজন ব্যবসায়ির জন্য এই সকল পেমেন্ট মেথডে রেজিস্ট্রেশন করে পেমেন্ট শুরু করা সহজ ব্যাপার নয়! আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশে জন্য আমি মনে করি সেরা সলিউশন হতেপারে তালিকার সবার নিচে থাকা এই QCard

এইখানে QCard সম্পর্কে একটু বলে নেই- এই পেমেন্ট অপশন শুধু বাংলাদেশ নয়। সারা বিশ্বে সহজলভ্য। তবে বাংলাদেশিদের জন্য অধিক উপযোগী হওয়ার কারন হচ্ছে QCard এর নিজস্ব অফিস আছে বাংলাদেশে। এখান থেকে সমগ্র দক্ষিন এশিয়ায় কোম্পানির বিজনেস পরিচালিত হয়। আমাদের দেশে পেপাল না থাকায় এবং মাস্টার কার্ড এ টাকা লোড করা বেশ ঝামেলার কাজ হওয়ার ফলে এখন QCard সবচেয়ে ভাল মাধ্যম। একটি মাস্টারকার্ড পেতে আমার অনেক সময় লেগেছিল, কিন্তু অর্ডার করার ৬ ঘন্টার মধ্যে আপনি QCard হাতে পেয়ে যাবেন এবং টাকা লোড করে ফেসবুকে বুস্ট চালু করে দিতে পারবেন।

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য কিভাবে চার্জ করে? 

ফেসবুক মুলত চার্জ করে তিনটিভাবেঃ

১. Cost Per 1000 Impressions (CPM)ঃ আপনার বিজ্ঞাপনের ১০০০ ইম্প্রেশনের উপর নির্ভর করে ফেসবুক একটা চার্জ করে।

২. Cost Per 1000 People Reachedঃ আপনার বিজ্ঞাপনে প্রতি ১০০০ মানুষ বিজ্ঞাপনটি দেখেছে, তার উপর ভিত্তি ফেসবুক একটা চার্জ করে

৩. Cost Per Click (CPC)ঃ আপনার বিজ্ঞাপনটিতে কতজন মানুষ ক্লিক করছে বা কতটি likes আসছে, তার উপর ভিত্তি করে ফেসবুক একটা চার্জ করে।

বিজ্ঞাপন দিয়ে কি করা হয়? ব্যাবসার প্রচার করা হয়। সেইরকম ফেসবুকের বিজ্ঞাপন মূলত লাইক বাড়ানোর জন্য নয়। এই এড দিয়ে আপনি আপনার ব্যাবসার প্রচার চালাবেন। তো ব্যাবসা কিভাবে বাড়বে? আপনার পেজ এ লাইক বাড়লে নাকি আপনার পণ্যের প্রচার বাড়লে? অবশ্যই পণ্যের প্রচার বাড়লে। তো ফেসবুকের এড এর চেষ্ঠা তাকে যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইউজারে কাছে আপনার এড পৌছানো যায়। একই সাথে আপনার টারগেট কাষ্টমার খুজে বের করাও এর কাজ। আপনি চাইলে একটি নির্দিষ্ট দেশে এই এড চালাতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট বয়সের লোকের কাছেও পৌছাতে পারেন। একে বলা হয় কাষ্টমাইজড এড।  ফেসবুক বিজ্ঞাপনে নির্দিস্টভাবে বলা থাকেনা আপনি কতগুলো likes পাবেন। কারন সে এড পৌছে দেয়, তাই টোটাল রিচ বলা থাকে অর্থাৎ কত জনের কাছে এড টা পৌছাবে। এটা নির্ভর করে আপনি বিভিন্ন  প্যারামিটার কিভাবে সেট করছেন তার উপর। এই কাজটুকুই ট্রিকি পার্ট। এতা আমরা আপনার জন্য করে দিব। এবং এড প্রোমোট করা হয় আসলে ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে। একটা এড দিয়েও একটা ক্যাম্পেইন চালাতে পারবেন। এই ক্যাম্পেইন কিভাবে করতে হবে সেটাও আমরা করে দিব।

কাষ্টমাইজড এড ক্যাম্পেইনঃ    আপনার এড এর মূল্য + ২২০ টাকা (একই এড এর ক্ষেত্রে শুধু মাত্র প্রথমবার)আনকাষ্টমাইজড এড ক্যাম্পেইনঃ  আপনার এড এর মূল্য + ১২০ টাকা

তবে Facebook Page Promote করতে চাইলে ফেসবুক একটি  price rate বলে দেয় likes এর জন্য সেটি নিচে দেওয়া হলঃ

£3 = Est. 45 – 180 Likes Per Day

£6 = Est. 90 – 360 Likes Per Day

£12 = Est. 180 – 720 Likes Per Day

£15 = Est. 225 – 900 Likes Per Day

£18 = Est. 270 – 1080 Likes Per Day

অথবা

$5 = Est 44 – 176 Likes per day

$10 = Est 88 – 353 Likes per day

$15 = Est 132 – 529 Likes per day

$20 = Est 176 – 706 Likes per day

$25 = Est 221 – 882 Likes per day

আপনি ইচ্ছা করলে এর চেয়েও বেশি টাকার অ্যাড দিতে পারেন।

আপনার ফেসবুকে বিজ্ঞাপন এর ফলাফল কিভাবে জানবেন?

আপনাকে ই-মেইলের  মাধ্যমে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের রিপোর্টটি দেওয়া হবে।

ফেসবুকে অ্যাড দেওয়ার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবেঃ

১. Title যা লিখবেন তা স্পেসসহ ২৫ ক্যারেক্টার হতে হবে

২. Body তে যা কিছু লিখবেন তা স্পেসসহ ৯০ ক্যারেক্টার হতে হবে

৩. ছবির pixel 600*225 হতে হবে

৪. আপনি সর্বোচ্চ ৬টি ছবি দিতে পারবেন পেজের অ্যাডের জন্য

৫. আপনাকে Location, Age, Gender (target audience) বলে দিতে হবে

আপনি আপনার পেজ প্রোমোটের জন্য উপরে উল্লেখিত যেকোনো একটি প্যাকেজ নিতে পারেন।

কেন আমি QCard কে সেরা ফেসবুক বিজ্ঞাপন পেমেন্ট মনে করি?

QCard আপনাকে করে দিচ্ছে ফেসবুক বিজ্ঞাপন এর জন্য পেমেন্ট করার সেরা সুযোগ। আপনি কেবল একটি QCard একাউন্ট ওপেন করেই আপনার সকল এডভারটাইজিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে পারবে কোন প্রকার বাড়তি চার্জ ছাড়াই। আরও একটা বিষয় জেনে আপনি অবাক হবেন যে, QCard আপনাকে অনলাইনে অন্যান্য সাইটে বিজ্ঞাপনের জন্য পেমেন্টের ক্ষেত্রেও দেবে মারাত্মক সমাধান। শুধু ফেসবুক নয়, QCard দিয়ে আপনি গুগল, ইউটিউব, টুইটার, ইন্সতাগ্রাম, পিন্টারেস্ট সহ প্রায় এক মিলিয়ন সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।

আপনি আপনার QCard টি যেকোনো সময় রিচার্জ করতে পারবেন এবং আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইনগুলো রানিং রাখতে পারবেন সব সময়ের জন্য। যখনই আপনার আর বুস্ট প্রয়োজন হবে না, আপনি ভার্চুয়াল কার্ডটির লিঙ্ক পালটে দিতে পারবেন। মনে রাখবেন একটি QCard কাজ করবে আপনার মাস্টারকার্ডের মতই। এবং বিশ্বের যে সমস্ত ওয়েবসাইট মাস্টারকার্ড গ্রহন করে সেখানে আপনি আপনার QCard দিয়েও লেনদেন করতে পারবেন।

আপনি প্রস্তুত ফেসবুক বিজ্ঞাপন দ্বারা নিজের বিজনেসকে কাঙ্খিত লক্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য? তাহলে আজই আপনার QCard টি অর্ডার করুন। আরও বিস্তারিত জানুন তাদের ওয়েবসাইট থেকেঃ QCard

আমি উপকৃত হয়েছি, আশা করি আপনিও উপকার পাবেন।

কিভাবে আপনি ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিবেন?

বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে প্রথমেই প্রয়োজন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। অ্যাকাউন্ট থেকে ফেসবুক পেইজ খুলুন। পেইজে আপনার প্রতিষ্ঠানের নানা পণ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য টিউন করুন। এবার ফেসবুকের অ্যাড ম্যানেজারে (www.facebook.com/advertising) গিয়ে পেইজ নির্বাচন করুন। ১২০০/৪৪৪ পিক্সেলের ৬টি ছবি আপলোড করুন এবং ব্যবহারকারীদের আকর্ষণ করে এমন কিছু তথ্য ৯০ অক্ষরের মধ্যে নির্ধারিত বক্সে লিখুন। বিজ্ঞাপনের দর্শক (দেশ, বয়স, লিঙ্গ, ভাষা, আগ্রহের বিষয়) ও বাজেট নির্ধারণ করুন। এরপর নির্ধারিত বাজেটের সময়কাল ঠিক করে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত একটি ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড অথবা ভেরিফাইড পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে পেমেন্ট করুন। কয়েক মিনিট পরেই ফেসবুকে দেখতে পারবেন আপনার বিজ্ঞাপন।

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে আপনার ব্যবসা কিভাবে বাড়বে?

আপনার পেইজ লাইক বাড়লো তো ব্যবসাও বাড়লো। ফেসবুক সবসময় চেষ্টা করে বিজ্ঞাপন যেন সর্বোচ্চ সংখ্যক ইউজারের কাছে পৌঁছানো যায়। একই সাথে আপনার কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা খুঁজে বের করাও এর কাজ। আপনি চাইলে একটি নির্দিষ্ট দেশে বিজ্ঞাপন চালাতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট বয়সের ব্যবহারকারীর কাছেও পৌঁছাতে পারেন। একে বলা হয় কাষ্টমাইজড অ্যাড। নির্ধারিত বাজেটের বিজ্ঞাপন থেকে আপনি কতগুলো ফেসবুক লাইক পাবেন নির্দিষ্ট ভাবে বলা থাকে না। কারণ ফেসবুকের কাজ হচ্ছে আপনার বিজ্ঞাপন ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। লাইক বা ভিজিটর নির্ভর করে আপনি বিভিন্ন ‘প্যারামিটার’ কিভাবে নির্ধারণ করছেন তার উপর। এই প্যারামিটার নির্ধারণের অন্যতম পর্যায় হচ্ছে বিজ্ঞাপন কোন দেশ, কোন বয়স, কোন লিঙ্গ, কোন ভাষার ব্যবহারকারী দেখবে। তবে বিজ্ঞাপনের বাজেট যত বেশি হবে ফলাফলও ততো ভালো হবে।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন এর ক্ষেত্রে কি কি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে?

একটি ফেসবুক বিজ্ঞাপন চালু হওয়ার পর থেকে ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার থেকে আপনার বিজ্ঞাপনের সব আপডেট পাবেন। কোন বিজ্ঞাপন কত জন দেখেছে? কত জন ক্লিক করেছে? কতজন লাইক দিয়েছে? নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে কত ডলার খরচ হয়েছে তার সব কিছুই জানা যাবে অ্যাড ম্যানেজার থেকে। বিজ্ঞাপনের সময়কাল শেষে হওয়ার পর চাইলে বিজ্ঞাপনের প্রতিবেদন পিডিএফ আকারে ডাউনলোডও করতে পারবেন।

আমরা অনেক সময় দেখে থাকি অনেক ফেসবুক পেজে কোটি কোটি লাইক. এগুলোর সবগুলো কি আসল ফেসবুক ইউজার লাইক দিচ্ছে ? জানা নেই। কারন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অল্প টাকার বিনিময়ে ফেইক ফেসবুক ইউজার দ্বারা এইসব বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে লাভবান হছে এইসব অসাধু ব্যবসায়ী, কারন আপনি কিন্তু আপনার টার্গেট লাইক পাচ্ছেন না। যার ফলে আপনার পেজে লাখ লাখ লাইক থাকার কারনেও তাদের থেকে তেমন সারা পাচ্ছেন না। শেষ পর্যন্ত আপনি হতাশ হচ্ছেন এবং ভাবছেন ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার পরও মানুষ কেন আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানছে না। এর একটাই কারন ফেইক ফেসবুক ইউজার দ্বারা আপনার পেইজের এর লাইক বাড়ানো হচ্ছে যা অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়।