Daily Archives: August 2, 2016

ফেসবুকে কোন লিংক শেয়ার করার আগে যা করনীয়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন সবচেয়ে গতিশীল সংবাদমাধ্যম। কোনো ঘটনা ঘটলে নিউজ সাইটগুলোতে না যতক্ষণে পাওয়া যায় তার চেয়ে ঢের আগে পাওয়া যায় ফেসবুক সাইটে। বেশিরভাগ সময় আমাদের ফেসবুক হোমপেজে নানা ধরনের খবরের লিংক ভরে থাকে। এর মধ্যে কিছু থাকে খুবই মজার। নজরকাড়া এ খবরগুলো দেখেই আমরা শেয়ার করে থাকি।

কিন্তু যে খবরটি আপনি পড়ছেন, তা আসলে কতটুকু সত্য? ফেসবুকে লাইক পাওয়ার জন্য অনেকে নকল খবর দিয়ে থাকে। এগুলো বিশেষ একটি অনলাইন টুলের কারসাজি। অনলাইন টুলের বিশেষ এই সাইটির নাম ‘ক্লোন জোন’। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এটি ক্লোন অর্থাৎ অবিকল আরেকটি তৈরি করতে পারদর্শী।

ক্লোন জোন (http://clonezone.link/)-এর মাধ্যমে বিশ্বের বেশ কিছু খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যমের খবরকে যে কেউ চাইলেই খুব সহজেই খবরের শিরোনাম, লেখা, ছবি, ফ্রন্ট পরিবর্তন করতে পারে। অর্থাৎ খ্যাতনামা নিউজ পেপারের খবরগুলোকে পরিবর্তন করে নিজের মতো করে শেয়ার করা যায়!

এদিকে খ্যাতনামা নিউজ পেপারগুলোর নামেই তা ফেসবুকে শেয়ার হওয়ায়, অনেকেই খবরগুলো বিশ্বাস করে বসেন এবং বিভ্রান্তিতে পড়ে।

সুতরাং জেনে নিন, কীভাবে বুঝবেন, ফেসবুকে আপনার হোমপেজে থাকা কোনো খ্যাতনামা খবরের লিংকটি আসল নাকি নকল?

যেমন ধরুন আপনি যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় পত্রিকা মেট্রো’র একটি খবর দেখলেন। খবরটি সতিকার অর্থেই মেট্রো’র হয়ে থাকলে, তা www.mirror.co.uk লিংকের মাধ্যমে থাকবে। কিন্তু যদি ক্লোন জোন ওয়েবসাইটির মাধ্যমে নকল করে তৈরি করা হয়ে থাকে, তাহলের তার লিংক হবে এমন: www.mirror.co.uk.clonezone.link.।

সুতরাং ফেসবুকে যদি খুবই আশ্চর্যজনক বা চমকপ্রদ কোনো খবর দেখেন, তাহলে তা শেয়ার করা আগে ওয়েব অ্যান্ড্রেস চেক করে নিন।

Content Writer :  Moinuddin.ctg

ফেইসবুক লগআউট করতে ভুলে গেছেন?

অন্য কোন ডিভাইসে ফেইসবুক লগইন করেছেন কিন্তু লগআউট করতে ভুলে গেছেন। ডিভাইসটি এখন আপনার থেকে দূরে। চাইলেও লগআউট করতে পারছেন না। দেখে নেওয়া যাক বিকল্প পদ্ধতি-

পিসি বা মোবাইল থেকে আবার ফেইসবুক লগইন করুন। তারপর একাউন্ট সেটিংয়ে গিয়ে সিকিউরিটি অপশনে ক্লিক করুন। সিকিউরিটি অপশন থেকে একটিভ সেশন বাটনে ক্লিক করলে কারেন্ট (বর্তমান) সেশনে আপনার চলতি সেশনে এর তথ্য দেখাবে আর অলসো একটিভ অপশনে লগইন সক্রিয় আছে এমন কম্পিউটারের সময়, ডিভাইসের নাম, শহর, আইপি, ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য দেখাবে। এবার ওই আগের ডিভাইসে লগআউট করতে ইন্ড একটিভিটি অপশনে ক্লিক করলে অন্য ডিভাইসটি থেকে লগআউট হয়ে যাবে।ফেইসবুক লগআউট করতে ভুলে গেছেন? দেখে নিন করণীয়

 

অন্য কোন ডিভাইসে ফেইসবুক লগইন করেছেন কিন্তু লগআউট করতে ভুলে গেছেন। ডিভাইসটি এখন আপনার থেকে দূরে। চাইলেও লগআউট করতে পারছেন না। দেখে নেওয়া যাক বিকল্প পদ্ধতি-

পিসি বা মোবাইল থেকে আবার ফেইসবুক লগইন করুন। তারপর একাউন্ট সেটিংয়ে গিয়ে সিকিউরিটি অপশনে ক্লিক করুন। সিকিউরিটি অপশন থেকে একটিভ সেশন বাটনে ক্লিক করলে কারেন্ট (বর্তমান) সেশনে আপনার চলতি সেশনে এর তথ্য দেখাবে আর অলসো একটিভ অপশনে লগইন সক্রিয় আছে এমন কম্পিউটারের সময়, ডিভাইসের নাম, শহর, আইপি, ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য দেখাবে। এবার ওই আগের ডিভাইসে লগআউট করতে ইন্ড একটিভিটি অপশনে ক্লিক করলে অন্য ডিভাইসটি থেকে লগআউট হয়ে যাবে।

Content Writer :  Raimon

ফেসবুক থেকে Delete হয়ে যাওয়া Photo, Massage,Video কিভাবে ফেরত পাওয়া যায় তার পদ্ধতি।

আমরা আনেকেই রাগ করে বা অন্য কোন কারনে ফেসবুক থেকে পছন্দের ফটো / পিকচার, ম্যসেজ,ভিডিও ডিলিট করে ফেলি কিন্তু সেটা পরে আবার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কিভাবে আমরা ফেসবুক থেকে ডিলিট হয়ে যাওয়া ফটো / পিকচার, ম্যসেজ,ভিডিও রিকভার করতে পারি বা ফিরে পেতে পারি সেটা আজ আপনাদের দেখাবো।
প্রথমে ফেসবুকে লগিন করার পর ডানপাশের কর্নার থেকে সেটিং এ যেতে হবে।
নিচের পিকচার টি দেখুন।

 

সেটিং এ যাওয়ার পর Dowanload  a  copy এই রকম একটি লিংক পাওয়া যাবে। নিচের পিকচার টি দেখুন।

লিংক টি তে কিলিক করলে আপনার মেইলে একটি রিকয়েষ্ট লিংক যাবে। এরপর মেইল ওপেন করতে হবে। মেইলে ওপেন করলে একটি রিকয়েষ্টেট লিংক পাওয়া যাবে। লিংকটি ওপেন করলে আপনার ফেসবুকের পাসওয়াট চাইবে। পাসওয়াট দেওয়ার পর একটি ডাউনলোড বাটন পাওয়া যাবে। এই বাটনে ক্লিলিক করলে ডাউনলোড হবে।

ডাউনলোড ওপেন করে আনজিপ করতে হবে। এর মাঝে চারটি ফোল্ডার পাওয়া যাবে। html, Photo, Video, Index. Photo এর মাঝে পিকচার / ফটো গুলো পাওয়া যাবে। Video এর মাঝে ভিডিও পাওয়া যাবে। ওহফবী ফাইল ওপেন করলে আপনার সম্পর্ন প্রফাইল টি দেখা যাবে। এর মাঝে ম্যসেজ গুলো পাওয়া যাবে।

Content Writer : মোঃ মনজুর মোরশেদ

 

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য ১০টি ‘না’

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য ১০টি ‘না’”””””

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন শুধু পরস্পরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনই করছে না, বরং চাকরি, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে ব্যবসা–রাজনীতি সবকিছুর ওপর প্রভাব ফেলেছে। সুতরাং এটা এখন শুধু আপনার ব্যক্তিগত জীবনের অংশই না, এটা আপনার পেশা জীবনেরও অংশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। আর এই মাধ্যমকে কাজে লাগাতে পারেন যদি না আপনি নিচের কাজগুলো অনুসরণ করেন।
১. আপনার প্রকৃত নাম পরিবর্তন করবেন না
ফেসবুকে অনেক সময় অনেকে নকল নাম বা রূপক নাম ব্যবহার করে থাকেন। এমনটি উচিত নয়। কেউ যদি আপনার নাম জিজ্ঞেস করে আপনি নিশ্চয় বলবেন না, আপনার নাম নীল দরিয়ার মাঝি, সাগর পাড়ের কন্যা, আমি কষ্টে আছি অথবা উড়ন্ত ছেলে। কারণ এগুলো আপনার নাম নয়। একজন চাকরিদাতা বা ব্যবসায়ী যদি আপনার সম্পর্কে ধারণা নিতে সার্চ ইঞ্জিনে আপনাকে খোঁজেন তবে এমন নাম তাদের আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা দেবে না। এমন নামকরণ ফেসবুকের নীতিমালার বাইরে। যে কেউ অভিযোগ করলে আপনার অ্যাকাউন্টটি তারা বন্ধ করে দিতে পারে। তাই নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে যদি নাম দুই অংশের হয় তবে প্রথম ও শেষ নাম ব্যবহার করুন। যদি তিন অংশের হয় তবে মধ্য নামও ব্যবহার (মধ্য নামের initial ব্যবহার করতে পারেন) করুন। নিজ ভাষা অথবা ইংরেজিতে নাম লিখতে পারেন, কিন্তু এমন অক্ষর ব্যবহার করবেন না যেটা বুঝতে অসুবিধা হয়।
২. শিরোনাম ব্যতীত ছবি টিউন করবেন না
এমনটি হতে পারে আপনি বোনের সঙ্গে ছবি টিউন করছেন কিন্তু কোনো শিরোনাম লেখেননি। আপনার বন্ধুরা হয়তো আপনাকে চেনে, কিন্তু আপনার বোনকে চেনে না। এ রকমের ছবিতে আপনার বন্ধুদের টিউমেন্ট আপনাকে বিব্রত করতে পারে। এ জন্য এ ধরনের ছবি টিউন করার আগে অবশ্যই শিরোনাম যোগ করবেন। এতে ছবি টিউনের উদ্দেশ্য বোঝা সহজ হয়। ছবি নিজেই যদি শিরোনাম হিসেবে কাজ করে তাহলে হয়তো শিরোনামের প্রয়োজন নেই।
৩. শুধু লাইক পাওয়ার জন্য কাউকে সংযুক্ত করবেন না
শুধু লাইক পাওয়ার জন্য এমন কাউকে ছবি বা টিউনে সংযুক্ত করবেন না যিনি এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নন। আপনি জানেন না এতে তিনি আনন্দিত হবেন, না বিরক্ত হবেন। যদি সংযুক্ত করা জরুরি মনে করেন তবে পূর্ব অনুমতি নিয়ে নেবেন।
৪. ব্যক্তিগত কথাবার্তা ওয়ালে টিউন করবেন না
ব্যক্তিগত কথাবার্তা আদানপ্রদানের জন্য ফেসবুক অথবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে মেসেজ অপশন আছে। এ জন্য ব্যক্তিগত কথাবার্তা ওয়ালে টিউন না করে মেসেজ করবেন। যেমন; আপনি আপনার বন্ধুর কাছে টাকা পাবেন, আপনি এই টাকাটা চাওয়ার জন্য তার ওয়ালে লিখতে যাবেন না। প্রয়োজনে কল অথবা মেসেজ করবেন।


৫. চেইন স্ট্যাটাস টিউন করবেন না
আপনিও হয়তো এমন ইমেইল পেয়ে থাকবেন—কেউ আপনাকে নির্দিষ্ট ইমেইল পাঠিয়ে বলল, এই ইমেইলটি আরও ১০ জনকে পাঠাতে হবে অন্যথায় আপনার ভয়ানক বিপদ হবে। সেরকম ফেসবুকের নিউজ ফিডে কিছু ছবি বা লেখা দিয়ে বলা হলো আপনাকে লাইক ও শেয়ার করতে হবে, না হলে বিপদ হবে। অথবা বলা হলো আপনি যদি মুসলমান/হিন্দু বা অন্য কিছু হন, লাইক করুন, আমিন লিখুন, শেয়ার করুন। এ রকম চেইন স্ট্যাটাস টিউন করবেন না। এটা একরকম মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা। যদি সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক কিছু হয় তবে মানুষকে সাধারণ অনুরোধ করবেন।
৬. অপরিচিত লোকদের বন্ধু হওয়ার অনুরোধ করবেন না
অনেকের হয়তো এমন ধারণা আছে যে, ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা যার যত বেশি তার জনপ্রিয়তার তত বেশি। এ কথা হয়তো সত্য, বাস্তব জীবনে যত বেশি মানুষ আপনাকে চেনে আপনি তত বেশি পরিচিত। কিন্তু ফেসবুকে সম্পূর্ণ অজানা মানুষকে যোগ করার মাঝে নয়। যদি কাউকে কোনো না কোনোভাবে চেনেন এবং মনে করেন তার সঙ্গে যোগ হলে উভয়ই উপকৃত হতে পারেন তবে ব্যক্তিগত অনুরোধ করবেন।
৭. ভুয়া সংবাদ টিউন করবেন না
ফেসবুক হলো ভুয়া সংবাদের অন্যতম উৎস। এখানে সবাই সাংবাদিক। এখানে সংবাদ পরিবেশনে সবাই মুক্ত। তাই যেকোনো সংবাদভিত্তিক টিউনের আগে যাচাই করে নেবেন সংবাদটি সঠিক উৎস থেকে আসছে কিনা। মনে রাখবেন একটি ভুল সংবাদ ১০টি স্বাভাবিক জীবনের ওপর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।
৮. ভুল ব্যক্তিগত তথ্য প্রধান করবেন না
ধরুন, একটি চাকরির জন্য আপনার জীবনবৃত্তান্ত চাইল, আপনি নিশ্চয় আপনার জীবনবৃত্তান্তে ভুল তথ্য প্রধান করবেন না। অনেক চাকরি আছে যেগুলো ফেসবুকের আইডি দিয়ে লগইন করে আবেদন করতে হয়। সুতরাং আপনার তথ্য যদি ভুল থাকে তবে চাকরিদাতা আপনার সম্পর্কে ভুল তথ্য পাবে যেটা আপনার জন্য কক্ষনোই মঙ্গলজনক নয়। এ ছাড়া ভুল তথ্য মানুষকে আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা দেবে। তাই সকল তথ্য (পেশাগত, শিক্ষাগত, ব্যক্তিগত) সঠিক ও সমসাময়িক রাখুন।
৯. অশালীন টিউমেন্ট করবেন না
হয়তো ফেসবুক টিউমেন্টের জন্য উন্মুক্ত এক জায়গা। কিন্তু মনে রাখবেন আপনার টিউমেন্ট আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। আপনার টিউমেন্ট থেকে মানুষ আপনার সম্পর্কে ধারণা নেবে। কথা বলার স্বাধীনতার ও সীমাবদ্ধতা আছে। আপনার টিউমেন্ট যদি কাউকে ব্যথা দেয় কিংবা কারও সম্মানহানির কারণ হয় সে দিকে নজর রাখবেন। মোট কথা ফেসবুকে আপনার সকল কার্যক্রম আপনার আচার–ব্যবহারেরই পরিচয় বহন করে, সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
১০. ১৩ বছর বয়সের আগে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নয়
১৩ বছর বয়সের আগে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা ফেসবুকের নীতিমালার বাইরে। এটা তাদের মানসিক ও শারীরিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি বড়দেরও অধিক ফেসবুক ব্যবহার মানসিক, শারীরিক ও সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে। সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অভিভাবকের অসচেতনতার কারণে অনেক শিশুই ফেসবুকে আসক্ত হয়ে পড়ে যা তাদের লেখাপড়া ও সামাজিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সুতরাং আপনার পরিচিত কেউ যদি এমনটি করে তাকে বুঝিয়ে অ্যাকাউন্টটি মুছে দিন অথবা ফেসবুকে রিপোর্ট করুন।

Content writer : বিডি মামুন এডিটর