ফেসবুকে কোন লিংক শেয়ার করার আগে যা করনীয়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন সবচেয়ে গতিশীল সংবাদমাধ্যম। কোনো ঘটনা ঘটলে নিউজ সাইটগুলোতে না যতক্ষণে পাওয়া যায় তার চেয়ে ঢের আগে পাওয়া যায় ফেসবুক সাইটে। বেশিরভাগ সময় আমাদের ফেসবুক হোমপেজে নানা ধরনের খবরের লিংক ভরে থাকে। এর মধ্যে কিছু থাকে খুবই মজার। নজরকাড়া এ খবরগুলো দেখেই আমরা শেয়ার করে থাকি।

কিন্তু যে খবরটি আপনি পড়ছেন, তা আসলে কতটুকু সত্য? ফেসবুকে লাইক পাওয়ার জন্য অনেকে নকল খবর দিয়ে থাকে। এগুলো বিশেষ একটি অনলাইন টুলের কারসাজি। অনলাইন টুলের বিশেষ এই সাইটির নাম ‘ক্লোন জোন’। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এটি ক্লোন অর্থাৎ অবিকল আরেকটি তৈরি করতে পারদর্শী।

ক্লোন জোন (http://clonezone.link/)-এর মাধ্যমে বিশ্বের বেশ কিছু খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যমের খবরকে যে কেউ চাইলেই খুব সহজেই খবরের শিরোনাম, লেখা, ছবি, ফ্রন্ট পরিবর্তন করতে পারে। অর্থাৎ খ্যাতনামা নিউজ পেপারের খবরগুলোকে পরিবর্তন করে নিজের মতো করে শেয়ার করা যায়!

এদিকে খ্যাতনামা নিউজ পেপারগুলোর নামেই তা ফেসবুকে শেয়ার হওয়ায়, অনেকেই খবরগুলো বিশ্বাস করে বসেন এবং বিভ্রান্তিতে পড়ে।

সুতরাং জেনে নিন, কীভাবে বুঝবেন, ফেসবুকে আপনার হোমপেজে থাকা কোনো খ্যাতনামা খবরের লিংকটি আসল নাকি নকল?

যেমন ধরুন আপনি যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় পত্রিকা মেট্রো’র একটি খবর দেখলেন। খবরটি সতিকার অর্থেই মেট্রো’র হয়ে থাকলে, তা www.mirror.co.uk লিংকের মাধ্যমে থাকবে। কিন্তু যদি ক্লোন জোন ওয়েবসাইটির মাধ্যমে নকল করে তৈরি করা হয়ে থাকে, তাহলের তার লিংক হবে এমন: www.mirror.co.uk.clonezone.link.।

সুতরাং ফেসবুকে যদি খুবই আশ্চর্যজনক বা চমকপ্রদ কোনো খবর দেখেন, তাহলে তা শেয়ার করা আগে ওয়েব অ্যান্ড্রেস চেক করে নিন।

Content Writer :  Moinuddin.ctg

ফেইসবুক লগআউট করতে ভুলে গেছেন?

অন্য কোন ডিভাইসে ফেইসবুক লগইন করেছেন কিন্তু লগআউট করতে ভুলে গেছেন। ডিভাইসটি এখন আপনার থেকে দূরে। চাইলেও লগআউট করতে পারছেন না। দেখে নেওয়া যাক বিকল্প পদ্ধতি-

পিসি বা মোবাইল থেকে আবার ফেইসবুক লগইন করুন। তারপর একাউন্ট সেটিংয়ে গিয়ে সিকিউরিটি অপশনে ক্লিক করুন। সিকিউরিটি অপশন থেকে একটিভ সেশন বাটনে ক্লিক করলে কারেন্ট (বর্তমান) সেশনে আপনার চলতি সেশনে এর তথ্য দেখাবে আর অলসো একটিভ অপশনে লগইন সক্রিয় আছে এমন কম্পিউটারের সময়, ডিভাইসের নাম, শহর, আইপি, ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য দেখাবে। এবার ওই আগের ডিভাইসে লগআউট করতে ইন্ড একটিভিটি অপশনে ক্লিক করলে অন্য ডিভাইসটি থেকে লগআউট হয়ে যাবে।ফেইসবুক লগআউট করতে ভুলে গেছেন? দেখে নিন করণীয়

 

অন্য কোন ডিভাইসে ফেইসবুক লগইন করেছেন কিন্তু লগআউট করতে ভুলে গেছেন। ডিভাইসটি এখন আপনার থেকে দূরে। চাইলেও লগআউট করতে পারছেন না। দেখে নেওয়া যাক বিকল্প পদ্ধতি-

পিসি বা মোবাইল থেকে আবার ফেইসবুক লগইন করুন। তারপর একাউন্ট সেটিংয়ে গিয়ে সিকিউরিটি অপশনে ক্লিক করুন। সিকিউরিটি অপশন থেকে একটিভ সেশন বাটনে ক্লিক করলে কারেন্ট (বর্তমান) সেশনে আপনার চলতি সেশনে এর তথ্য দেখাবে আর অলসো একটিভ অপশনে লগইন সক্রিয় আছে এমন কম্পিউটারের সময়, ডিভাইসের নাম, শহর, আইপি, ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য দেখাবে। এবার ওই আগের ডিভাইসে লগআউট করতে ইন্ড একটিভিটি অপশনে ক্লিক করলে অন্য ডিভাইসটি থেকে লগআউট হয়ে যাবে।

Content Writer :  Raimon

ফেসবুক থেকে Delete হয়ে যাওয়া Photo, Massage,Video কিভাবে ফেরত পাওয়া যায় তার পদ্ধতি।

আমরা আনেকেই রাগ করে বা অন্য কোন কারনে ফেসবুক থেকে পছন্দের ফটো / পিকচার, ম্যসেজ,ভিডিও ডিলিট করে ফেলি কিন্তু সেটা পরে আবার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কিভাবে আমরা ফেসবুক থেকে ডিলিট হয়ে যাওয়া ফটো / পিকচার, ম্যসেজ,ভিডিও রিকভার করতে পারি বা ফিরে পেতে পারি সেটা আজ আপনাদের দেখাবো।
প্রথমে ফেসবুকে লগিন করার পর ডানপাশের কর্নার থেকে সেটিং এ যেতে হবে।
নিচের পিকচার টি দেখুন।

 

সেটিং এ যাওয়ার পর Dowanload  a  copy এই রকম একটি লিংক পাওয়া যাবে। নিচের পিকচার টি দেখুন।

লিংক টি তে কিলিক করলে আপনার মেইলে একটি রিকয়েষ্ট লিংক যাবে। এরপর মেইল ওপেন করতে হবে। মেইলে ওপেন করলে একটি রিকয়েষ্টেট লিংক পাওয়া যাবে। লিংকটি ওপেন করলে আপনার ফেসবুকের পাসওয়াট চাইবে। পাসওয়াট দেওয়ার পর একটি ডাউনলোড বাটন পাওয়া যাবে। এই বাটনে ক্লিলিক করলে ডাউনলোড হবে।

ডাউনলোড ওপেন করে আনজিপ করতে হবে। এর মাঝে চারটি ফোল্ডার পাওয়া যাবে। html, Photo, Video, Index. Photo এর মাঝে পিকচার / ফটো গুলো পাওয়া যাবে। Video এর মাঝে ভিডিও পাওয়া যাবে। ওহফবী ফাইল ওপেন করলে আপনার সম্পর্ন প্রফাইল টি দেখা যাবে। এর মাঝে ম্যসেজ গুলো পাওয়া যাবে।

Content Writer : মোঃ মনজুর মোরশেদ

 

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য ১০টি ‘না’

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য ১০টি ‘না’”””””

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন শুধু পরস্পরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনই করছে না, বরং চাকরি, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে ব্যবসা–রাজনীতি সবকিছুর ওপর প্রভাব ফেলেছে। সুতরাং এটা এখন শুধু আপনার ব্যক্তিগত জীবনের অংশই না, এটা আপনার পেশা জীবনেরও অংশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। আর এই মাধ্যমকে কাজে লাগাতে পারেন যদি না আপনি নিচের কাজগুলো অনুসরণ করেন।
১. আপনার প্রকৃত নাম পরিবর্তন করবেন না
ফেসবুকে অনেক সময় অনেকে নকল নাম বা রূপক নাম ব্যবহার করে থাকেন। এমনটি উচিত নয়। কেউ যদি আপনার নাম জিজ্ঞেস করে আপনি নিশ্চয় বলবেন না, আপনার নাম নীল দরিয়ার মাঝি, সাগর পাড়ের কন্যা, আমি কষ্টে আছি অথবা উড়ন্ত ছেলে। কারণ এগুলো আপনার নাম নয়। একজন চাকরিদাতা বা ব্যবসায়ী যদি আপনার সম্পর্কে ধারণা নিতে সার্চ ইঞ্জিনে আপনাকে খোঁজেন তবে এমন নাম তাদের আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা দেবে না। এমন নামকরণ ফেসবুকের নীতিমালার বাইরে। যে কেউ অভিযোগ করলে আপনার অ্যাকাউন্টটি তারা বন্ধ করে দিতে পারে। তাই নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে যদি নাম দুই অংশের হয় তবে প্রথম ও শেষ নাম ব্যবহার করুন। যদি তিন অংশের হয় তবে মধ্য নামও ব্যবহার (মধ্য নামের initial ব্যবহার করতে পারেন) করুন। নিজ ভাষা অথবা ইংরেজিতে নাম লিখতে পারেন, কিন্তু এমন অক্ষর ব্যবহার করবেন না যেটা বুঝতে অসুবিধা হয়।
২. শিরোনাম ব্যতীত ছবি টিউন করবেন না
এমনটি হতে পারে আপনি বোনের সঙ্গে ছবি টিউন করছেন কিন্তু কোনো শিরোনাম লেখেননি। আপনার বন্ধুরা হয়তো আপনাকে চেনে, কিন্তু আপনার বোনকে চেনে না। এ রকমের ছবিতে আপনার বন্ধুদের টিউমেন্ট আপনাকে বিব্রত করতে পারে। এ জন্য এ ধরনের ছবি টিউন করার আগে অবশ্যই শিরোনাম যোগ করবেন। এতে ছবি টিউনের উদ্দেশ্য বোঝা সহজ হয়। ছবি নিজেই যদি শিরোনাম হিসেবে কাজ করে তাহলে হয়তো শিরোনামের প্রয়োজন নেই।
৩. শুধু লাইক পাওয়ার জন্য কাউকে সংযুক্ত করবেন না
শুধু লাইক পাওয়ার জন্য এমন কাউকে ছবি বা টিউনে সংযুক্ত করবেন না যিনি এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নন। আপনি জানেন না এতে তিনি আনন্দিত হবেন, না বিরক্ত হবেন। যদি সংযুক্ত করা জরুরি মনে করেন তবে পূর্ব অনুমতি নিয়ে নেবেন।
৪. ব্যক্তিগত কথাবার্তা ওয়ালে টিউন করবেন না
ব্যক্তিগত কথাবার্তা আদানপ্রদানের জন্য ফেসবুক অথবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে মেসেজ অপশন আছে। এ জন্য ব্যক্তিগত কথাবার্তা ওয়ালে টিউন না করে মেসেজ করবেন। যেমন; আপনি আপনার বন্ধুর কাছে টাকা পাবেন, আপনি এই টাকাটা চাওয়ার জন্য তার ওয়ালে লিখতে যাবেন না। প্রয়োজনে কল অথবা মেসেজ করবেন।


৫. চেইন স্ট্যাটাস টিউন করবেন না
আপনিও হয়তো এমন ইমেইল পেয়ে থাকবেন—কেউ আপনাকে নির্দিষ্ট ইমেইল পাঠিয়ে বলল, এই ইমেইলটি আরও ১০ জনকে পাঠাতে হবে অন্যথায় আপনার ভয়ানক বিপদ হবে। সেরকম ফেসবুকের নিউজ ফিডে কিছু ছবি বা লেখা দিয়ে বলা হলো আপনাকে লাইক ও শেয়ার করতে হবে, না হলে বিপদ হবে। অথবা বলা হলো আপনি যদি মুসলমান/হিন্দু বা অন্য কিছু হন, লাইক করুন, আমিন লিখুন, শেয়ার করুন। এ রকম চেইন স্ট্যাটাস টিউন করবেন না। এটা একরকম মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা। যদি সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক কিছু হয় তবে মানুষকে সাধারণ অনুরোধ করবেন।
৬. অপরিচিত লোকদের বন্ধু হওয়ার অনুরোধ করবেন না
অনেকের হয়তো এমন ধারণা আছে যে, ফেসবুকে বন্ধুর সংখ্যা যার যত বেশি তার জনপ্রিয়তার তত বেশি। এ কথা হয়তো সত্য, বাস্তব জীবনে যত বেশি মানুষ আপনাকে চেনে আপনি তত বেশি পরিচিত। কিন্তু ফেসবুকে সম্পূর্ণ অজানা মানুষকে যোগ করার মাঝে নয়। যদি কাউকে কোনো না কোনোভাবে চেনেন এবং মনে করেন তার সঙ্গে যোগ হলে উভয়ই উপকৃত হতে পারেন তবে ব্যক্তিগত অনুরোধ করবেন।
৭. ভুয়া সংবাদ টিউন করবেন না
ফেসবুক হলো ভুয়া সংবাদের অন্যতম উৎস। এখানে সবাই সাংবাদিক। এখানে সংবাদ পরিবেশনে সবাই মুক্ত। তাই যেকোনো সংবাদভিত্তিক টিউনের আগে যাচাই করে নেবেন সংবাদটি সঠিক উৎস থেকে আসছে কিনা। মনে রাখবেন একটি ভুল সংবাদ ১০টি স্বাভাবিক জীবনের ওপর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।
৮. ভুল ব্যক্তিগত তথ্য প্রধান করবেন না
ধরুন, একটি চাকরির জন্য আপনার জীবনবৃত্তান্ত চাইল, আপনি নিশ্চয় আপনার জীবনবৃত্তান্তে ভুল তথ্য প্রধান করবেন না। অনেক চাকরি আছে যেগুলো ফেসবুকের আইডি দিয়ে লগইন করে আবেদন করতে হয়। সুতরাং আপনার তথ্য যদি ভুল থাকে তবে চাকরিদাতা আপনার সম্পর্কে ভুল তথ্য পাবে যেটা আপনার জন্য কক্ষনোই মঙ্গলজনক নয়। এ ছাড়া ভুল তথ্য মানুষকে আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা দেবে। তাই সকল তথ্য (পেশাগত, শিক্ষাগত, ব্যক্তিগত) সঠিক ও সমসাময়িক রাখুন।
৯. অশালীন টিউমেন্ট করবেন না
হয়তো ফেসবুক টিউমেন্টের জন্য উন্মুক্ত এক জায়গা। কিন্তু মনে রাখবেন আপনার টিউমেন্ট আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। আপনার টিউমেন্ট থেকে মানুষ আপনার সম্পর্কে ধারণা নেবে। কথা বলার স্বাধীনতার ও সীমাবদ্ধতা আছে। আপনার টিউমেন্ট যদি কাউকে ব্যথা দেয় কিংবা কারও সম্মানহানির কারণ হয় সে দিকে নজর রাখবেন। মোট কথা ফেসবুকে আপনার সকল কার্যক্রম আপনার আচার–ব্যবহারেরই পরিচয় বহন করে, সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
১০. ১৩ বছর বয়সের আগে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নয়
১৩ বছর বয়সের আগে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা ফেসবুকের নীতিমালার বাইরে। এটা তাদের মানসিক ও শারীরিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি বড়দেরও অধিক ফেসবুক ব্যবহার মানসিক, শারীরিক ও সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে। সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অভিভাবকের অসচেতনতার কারণে অনেক শিশুই ফেসবুকে আসক্ত হয়ে পড়ে যা তাদের লেখাপড়া ও সামাজিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সুতরাং আপনার পরিচিত কেউ যদি এমনটি করে তাকে বুঝিয়ে অ্যাকাউন্টটি মুছে দিন অথবা ফেসবুকে রিপোর্ট করুন।

Content writer : বিডি মামুন এডিটর

৫টি উপায়ে ফেসবুকে নিরাপত্তা দিন। যাতে আপনার অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষা থাকে।

কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালোই আছেন। অনেকের কাছে শোনা যায় ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে বা নষ্ট হয়েগেছে এর কারণ হচ্ছে সঠিক ভাবে ফেসবুকে নিরাপত্তা না দেওয়ার জন্য। ফেসবুক আমাদের একটি প্রয়োজনীয় স্যোসাল নেটওয়্যার্ক হয়েগেছে। আমাদের ফেসবুকে অনেক তথ্য থাকে যা অন্যের হাতে পড়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। তাই আমি একটা কথাই বলব আসুন আমাদের ফেসবুকে সঠিক ৫টি নিরাপত্তা দিয়ে দেই যাতে করে আমাদের ফেসবুক আইডিটি সুরক্ষা থাকে। তাহলে আসুন আর কথা না বাড়িয়ে উপায় জেনে নেই।

১. লগ ইন অ্যালার্ট ব্যবহার করুন : কেউ যদি আপনার ফেসবুক আইডিতে লগ ইন করার চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে জানান দেবে ফেসবুক। এর জন্য ফেসবুকে লগ ইন করে সেটিংস মেনুতে যান। সিকিউরিটিতে ক্লিক করে লগইন অ্যালার্টস-এ গিয়ে এডিট করুন। গেট নোটিফিকেশনস এবং ইমেইল লগ ইন অ্যালার্ট চালু করুন। এটি সেভ করুন। কেউ আপনার অগোচরে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চাইলে তার তথ্য দেবে ফেসবুক। প্রতিবারই লগইন করলে অ্যালার্ট পাবেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট যন্ত্র থেকে লগইন করার বিষয়টিও ঠিক করে রাখতে পারবেন। নতুন কোনো ব্রাউজার থেকে নতুন যন্ত্রের লগইন করার সময় ফেসবুক এটাকে মনে রাখবে কিনা তা জানতে চাইবে। করতে চাইলে সেব ব্রাউজার করতে হবে।

২. রিকোয়েস্ট লগইন অ্যাপ্রোভালস : নিজের অ্যাকাউন্টে কিভাবে লগইন করবেন তাও নজরদারি করে ফেসবুক। কয়েকটি পদক্ষেপ নিলেই আগের অব্যবহৃত কোনো যন্ত্র থেকে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টেল লগইন করলে তা দেখবে ফেসবুক। সিকিউরিটি সেটিংস-এ গিয়ে ‘রিকোয়ার এ সিকিউরিটি কোড টু অ্যাকসেস মাই অ্যাকাউন্ট ফ্রম আননোন ব্রাউজারস’ লেখা বক্সে ক্লিক করুন। একটি সিকিউরিটি কোড পাওয়ার জন্য লিখিত নির্দেশনা অনসরণ করুন এবং পাসওয়ার্ড পুনরায় দিন। রিকোয়েস্টটি নিশ্চিতকরণের পর একটি বক্স পপ আপ হবে যাতে প্রক্রিয়াটি সম্পন্নের বিষয়ে তথ্য দেওয়া থাকবে। এখানে ‘নো থ্যাঙ্কস, রিকোয়ার এ কোড রাইট অ্যাওয়ে’ লেখা বক্সে ক্লিক করতে হবে।

৩. বাড়তি কোড হাতে রাখুন : লগইন অ্যাপ্রোভালস চালু করলে নতুন স্থান থেকে লগ করার সময় নিরাপত্তা কোড চাইবে। এটা টেক্সটের মাধ্যমে বা কোড ডেনারেটর শাখা থেকে তা উদ্ধার করতে হবে। যদি ফোন বা ট্যাবে প্রবেশ করতে না পারেন, তারপরও লগইন করতে কোড লাগবে আপনার। এর জন্য ফেসবুক ১০টি এলোমেলো কোড দেবে আপনাকে। এসব কোডের যে তালিকা দেখাবে তা প্রিন্ট করে রেখে দিন।

৪. কোথায় লগইন এবং লগ আউট করেছিলেন তা খেয়াল রাখুন : যদি অন্য কোনো যন্ত্র থেকে ফেসবুকে প্রবেশ করেন এবং লগ আউট করতে ভুলে যান, তবে যে কেউ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দেখতে পারেন। নিজের ব্রাউজার থেকে ফেসবুক সিকিউরিটি সেটিংস-এ ‘হোয়ার ইউ আর লগড ইন’-এ যান। আপনার সাম্প্রতিক লগইন তালিকাটি দেখুন।

৫. ট্রাস্টেড অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস অ্যাড করুন : যদি কারো জন্য ফোন ও ইমেইলে অ্যাকসেস না পান তবে সিকিউরিটি কোডের দরকার নেই। ফেসবুকের কাছের বন্ধুদের কাছ থেকে লগইন কোড সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি দুজন দুজনের বিশ্বস্ত হয়ে থাকেন, তবে দারুণ মিলবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টস পৃথক বিষয়। কারো অবর্তমানে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দেখাশোনা করতে বৈধ অনুমতি লাগবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টটি টাইমলাইনে পিন করে রাখা যাবে। এতে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বা প্রোফাইলের ছবি আপডেট হয়ে যাবে। এমনকি একটি সময়ের পর অ্যাকাউন্টটি মুছেও ফেলা যাবে। এসব কাজ সিকিউরিটি সেটিংস-এর ট্রাস্টেড কন্ট্যাক্টস অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস-এর অধীনে সম্পন্ন করা সম্ভব।

Content Writer : রোহান বিশ্বাস

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের আদ্যোপান্ত! জেনে নিন সবচেয়ে সহজে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার কৌশল!

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন প্রদানের মাধ্যমে পন্য বিক্রয় এখন বিশ্বজুড়ে ছোট থেকে মাঝারি ব্যবসায়ীদের কাছে কম সময়ে ব্যবসা করে সফল হওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় হাতিয়ার। আমরা বাস করছি ডিজিটাল পৃথিবীতে, এখানে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না। চিন্তা করে দেখুন! এখন সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেকোনো খবর পৌঁছে যাচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে। আপনি যদি ব্যবসায়িক কাজে এই মিডিয়া ব্যবহার করেন তাহলে কম সময়ে দারুণ রেজাল্ট পাওয়াটাই কি স্বাভাবিক ব্যাপার নয়? সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত মিডিয়া হচ্ছে ফেসবুক। ফলে একজন ব্যবসায়ির জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপন হতে পারে সবচেয়ে দ্রুত ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর সেরা উপায়। আপনি যদি এখনও না জেনে থাকেন, ফেসবুক বিজ্ঞাপন কীভাবে আপনার কোম্পানির প্রচার প্রকিয়াকে তরান্বিত করতে পারে, তাহলে নিচের লেখাগুলো পড়ুনঃ

কেন আপনি ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেবেন?

বর্তমান সময়ে ফেসবুক বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে, আপনি আপনার ফেসবুক পেইজের বেশিরভাগ টিউন বুস্ট করতে পারবেন, যার মধ্যে আছে স্ট্যাটাস আপডেট, ছবি, ভিডিও, নিউজ আরও অনেক কিছু! যে টিউনে আপনি একটি পেইড বুস্ট দেবেন, সেই টিউন অনেক বেশি হারে আপনার ক্রেতাদের নিউজ ফিডে দেখানো হবে। ফলে বেশিরভাগ মানুষ আপনার টিউনটি দেখতে পাবে এবং আপনার পন্যের প্রসার বাড়বে। ফলে আপনার একটি নির্দিষ্ট পন্য বিক্রির হাড়ও বেড়ে যাবে অনেক গুনে।

 

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন এর জন্য পেমেন্ট মেথড কি কি ?

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পেমেন্ট মেথড গ্রহন করে থাকে। আপনি এর মধ্যে যেকোনো মেথড ব্যবহার করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের জন্য পেমেন্ট করতে পারবেনঃ

  • ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড
  • ভিসা কার্ড
  • মাস্টার কার্ড
  • আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ড
  • ডিসকভার
  • পেপাল
  • কিউকার্ড

কিন্তু একটা সমস্যা আছে এক্ষেত্রে। উল্লিখিত সকল পেমেন্ট মেথড বাংলাদেশে সহজলভ্য নয়। আমাদের দেশের একজন ব্যবসায়ির জন্য এই সকল পেমেন্ট মেথডে রেজিস্ট্রেশন করে পেমেন্ট শুরু করা সহজ ব্যাপার নয়! আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশে জন্য আমি মনে করি সেরা সলিউশন হতেপারে তালিকার সবার নিচে থাকা এই QCard

এইখানে QCard সম্পর্কে একটু বলে নেই- এই পেমেন্ট অপশন শুধু বাংলাদেশ নয়। সারা বিশ্বে সহজলভ্য। তবে বাংলাদেশিদের জন্য অধিক উপযোগী হওয়ার কারন হচ্ছে QCard এর নিজস্ব অফিস আছে বাংলাদেশে। এখান থেকে সমগ্র দক্ষিন এশিয়ায় কোম্পানির বিজনেস পরিচালিত হয়। আমাদের দেশে পেপাল না থাকায় এবং মাস্টার কার্ড এ টাকা লোড করা বেশ ঝামেলার কাজ হওয়ার ফলে এখন QCard সবচেয়ে ভাল মাধ্যম। একটি মাস্টারকার্ড পেতে আমার অনেক সময় লেগেছিল, কিন্তু অর্ডার করার ৬ ঘন্টার মধ্যে আপনি QCard হাতে পেয়ে যাবেন এবং টাকা লোড করে ফেসবুকে বুস্ট চালু করে দিতে পারবেন।

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য কিভাবে চার্জ করে? 

ফেসবুক মুলত চার্জ করে তিনটিভাবেঃ

১. Cost Per 1000 Impressions (CPM)ঃ আপনার বিজ্ঞাপনের ১০০০ ইম্প্রেশনের উপর নির্ভর করে ফেসবুক একটা চার্জ করে।

২. Cost Per 1000 People Reachedঃ আপনার বিজ্ঞাপনে প্রতি ১০০০ মানুষ বিজ্ঞাপনটি দেখেছে, তার উপর ভিত্তি ফেসবুক একটা চার্জ করে

৩. Cost Per Click (CPC)ঃ আপনার বিজ্ঞাপনটিতে কতজন মানুষ ক্লিক করছে বা কতটি likes আসছে, তার উপর ভিত্তি করে ফেসবুক একটা চার্জ করে।

বিজ্ঞাপন দিয়ে কি করা হয়? ব্যাবসার প্রচার করা হয়। সেইরকম ফেসবুকের বিজ্ঞাপন মূলত লাইক বাড়ানোর জন্য নয়। এই এড দিয়ে আপনি আপনার ব্যাবসার প্রচার চালাবেন। তো ব্যাবসা কিভাবে বাড়বে? আপনার পেজ এ লাইক বাড়লে নাকি আপনার পণ্যের প্রচার বাড়লে? অবশ্যই পণ্যের প্রচার বাড়লে। তো ফেসবুকের এড এর চেষ্ঠা তাকে যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইউজারে কাছে আপনার এড পৌছানো যায়। একই সাথে আপনার টারগেট কাষ্টমার খুজে বের করাও এর কাজ। আপনি চাইলে একটি নির্দিষ্ট দেশে এই এড চালাতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট বয়সের লোকের কাছেও পৌছাতে পারেন। একে বলা হয় কাষ্টমাইজড এড।  ফেসবুক বিজ্ঞাপনে নির্দিস্টভাবে বলা থাকেনা আপনি কতগুলো likes পাবেন। কারন সে এড পৌছে দেয়, তাই টোটাল রিচ বলা থাকে অর্থাৎ কত জনের কাছে এড টা পৌছাবে। এটা নির্ভর করে আপনি বিভিন্ন  প্যারামিটার কিভাবে সেট করছেন তার উপর। এই কাজটুকুই ট্রিকি পার্ট। এতা আমরা আপনার জন্য করে দিব। এবং এড প্রোমোট করা হয় আসলে ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে। একটা এড দিয়েও একটা ক্যাম্পেইন চালাতে পারবেন। এই ক্যাম্পেইন কিভাবে করতে হবে সেটাও আমরা করে দিব।

কাষ্টমাইজড এড ক্যাম্পেইনঃ    আপনার এড এর মূল্য + ২২০ টাকা (একই এড এর ক্ষেত্রে শুধু মাত্র প্রথমবার)আনকাষ্টমাইজড এড ক্যাম্পেইনঃ  আপনার এড এর মূল্য + ১২০ টাকা

তবে Facebook Page Promote করতে চাইলে ফেসবুক একটি  price rate বলে দেয় likes এর জন্য সেটি নিচে দেওয়া হলঃ

£3 = Est. 45 – 180 Likes Per Day

£6 = Est. 90 – 360 Likes Per Day

£12 = Est. 180 – 720 Likes Per Day

£15 = Est. 225 – 900 Likes Per Day

£18 = Est. 270 – 1080 Likes Per Day

অথবা

$5 = Est 44 – 176 Likes per day

$10 = Est 88 – 353 Likes per day

$15 = Est 132 – 529 Likes per day

$20 = Est 176 – 706 Likes per day

$25 = Est 221 – 882 Likes per day

আপনি ইচ্ছা করলে এর চেয়েও বেশি টাকার অ্যাড দিতে পারেন।

আপনার ফেসবুকে বিজ্ঞাপন এর ফলাফল কিভাবে জানবেন?

আপনাকে ই-মেইলের  মাধ্যমে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের রিপোর্টটি দেওয়া হবে।

ফেসবুকে অ্যাড দেওয়ার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবেঃ

১. Title যা লিখবেন তা স্পেসসহ ২৫ ক্যারেক্টার হতে হবে

২. Body তে যা কিছু লিখবেন তা স্পেসসহ ৯০ ক্যারেক্টার হতে হবে

৩. ছবির pixel 600*225 হতে হবে

৪. আপনি সর্বোচ্চ ৬টি ছবি দিতে পারবেন পেজের অ্যাডের জন্য

৫. আপনাকে Location, Age, Gender (target audience) বলে দিতে হবে

আপনি আপনার পেজ প্রোমোটের জন্য উপরে উল্লেখিত যেকোনো একটি প্যাকেজ নিতে পারেন।

কেন আমি QCard কে সেরা ফেসবুক বিজ্ঞাপন পেমেন্ট মনে করি?

QCard আপনাকে করে দিচ্ছে ফেসবুক বিজ্ঞাপন এর জন্য পেমেন্ট করার সেরা সুযোগ। আপনি কেবল একটি QCard একাউন্ট ওপেন করেই আপনার সকল এডভারটাইজিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে পারবে কোন প্রকার বাড়তি চার্জ ছাড়াই। আরও একটা বিষয় জেনে আপনি অবাক হবেন যে, QCard আপনাকে অনলাইনে অন্যান্য সাইটে বিজ্ঞাপনের জন্য পেমেন্টের ক্ষেত্রেও দেবে মারাত্মক সমাধান। শুধু ফেসবুক নয়, QCard দিয়ে আপনি গুগল, ইউটিউব, টুইটার, ইন্সতাগ্রাম, পিন্টারেস্ট সহ প্রায় এক মিলিয়ন সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।

আপনি আপনার QCard টি যেকোনো সময় রিচার্জ করতে পারবেন এবং আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইনগুলো রানিং রাখতে পারবেন সব সময়ের জন্য। যখনই আপনার আর বুস্ট প্রয়োজন হবে না, আপনি ভার্চুয়াল কার্ডটির লিঙ্ক পালটে দিতে পারবেন। মনে রাখবেন একটি QCard কাজ করবে আপনার মাস্টারকার্ডের মতই। এবং বিশ্বের যে সমস্ত ওয়েবসাইট মাস্টারকার্ড গ্রহন করে সেখানে আপনি আপনার QCard দিয়েও লেনদেন করতে পারবেন।

আপনি প্রস্তুত ফেসবুক বিজ্ঞাপন দ্বারা নিজের বিজনেসকে কাঙ্খিত লক্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য? তাহলে আজই আপনার QCard টি অর্ডার করুন। আরও বিস্তারিত জানুন তাদের ওয়েবসাইট থেকেঃ QCard

আমি উপকৃত হয়েছি, আশা করি আপনিও উপকার পাবেন।

কিভাবে আপনি ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিবেন?

বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে প্রথমেই প্রয়োজন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। অ্যাকাউন্ট থেকে ফেসবুক পেইজ খুলুন। পেইজে আপনার প্রতিষ্ঠানের নানা পণ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য টিউন করুন। এবার ফেসবুকের অ্যাড ম্যানেজারে (www.facebook.com/advertising) গিয়ে পেইজ নির্বাচন করুন। ১২০০/৪৪৪ পিক্সেলের ৬টি ছবি আপলোড করুন এবং ব্যবহারকারীদের আকর্ষণ করে এমন কিছু তথ্য ৯০ অক্ষরের মধ্যে নির্ধারিত বক্সে লিখুন। বিজ্ঞাপনের দর্শক (দেশ, বয়স, লিঙ্গ, ভাষা, আগ্রহের বিষয়) ও বাজেট নির্ধারণ করুন। এরপর নির্ধারিত বাজেটের সময়কাল ঠিক করে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত একটি ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড অথবা ভেরিফাইড পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে পেমেন্ট করুন। কয়েক মিনিট পরেই ফেসবুকে দেখতে পারবেন আপনার বিজ্ঞাপন।

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে আপনার ব্যবসা কিভাবে বাড়বে?

আপনার পেইজ লাইক বাড়লো তো ব্যবসাও বাড়লো। ফেসবুক সবসময় চেষ্টা করে বিজ্ঞাপন যেন সর্বোচ্চ সংখ্যক ইউজারের কাছে পৌঁছানো যায়। একই সাথে আপনার কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা খুঁজে বের করাও এর কাজ। আপনি চাইলে একটি নির্দিষ্ট দেশে বিজ্ঞাপন চালাতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট বয়সের ব্যবহারকারীর কাছেও পৌঁছাতে পারেন। একে বলা হয় কাষ্টমাইজড অ্যাড। নির্ধারিত বাজেটের বিজ্ঞাপন থেকে আপনি কতগুলো ফেসবুক লাইক পাবেন নির্দিষ্ট ভাবে বলা থাকে না। কারণ ফেসবুকের কাজ হচ্ছে আপনার বিজ্ঞাপন ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। লাইক বা ভিজিটর নির্ভর করে আপনি বিভিন্ন ‘প্যারামিটার’ কিভাবে নির্ধারণ করছেন তার উপর। এই প্যারামিটার নির্ধারণের অন্যতম পর্যায় হচ্ছে বিজ্ঞাপন কোন দেশ, কোন বয়স, কোন লিঙ্গ, কোন ভাষার ব্যবহারকারী দেখবে। তবে বিজ্ঞাপনের বাজেট যত বেশি হবে ফলাফলও ততো ভালো হবে।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন এর ক্ষেত্রে কি কি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে?

একটি ফেসবুক বিজ্ঞাপন চালু হওয়ার পর থেকে ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার থেকে আপনার বিজ্ঞাপনের সব আপডেট পাবেন। কোন বিজ্ঞাপন কত জন দেখেছে? কত জন ক্লিক করেছে? কতজন লাইক দিয়েছে? নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে কত ডলার খরচ হয়েছে তার সব কিছুই জানা যাবে অ্যাড ম্যানেজার থেকে। বিজ্ঞাপনের সময়কাল শেষে হওয়ার পর চাইলে বিজ্ঞাপনের প্রতিবেদন পিডিএফ আকারে ডাউনলোডও করতে পারবেন।

আমরা অনেক সময় দেখে থাকি অনেক ফেসবুক পেজে কোটি কোটি লাইক. এগুলোর সবগুলো কি আসল ফেসবুক ইউজার লাইক দিচ্ছে ? জানা নেই। কারন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অল্প টাকার বিনিময়ে ফেইক ফেসবুক ইউজার দ্বারা এইসব বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে লাভবান হছে এইসব অসাধু ব্যবসায়ী, কারন আপনি কিন্তু আপনার টার্গেট লাইক পাচ্ছেন না। যার ফলে আপনার পেজে লাখ লাখ লাইক থাকার কারনেও তাদের থেকে তেমন সারা পাচ্ছেন না। শেষ পর্যন্ত আপনি হতাশ হচ্ছেন এবং ভাবছেন ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার পরও মানুষ কেন আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানছে না। এর একটাই কারন ফেইক ফেসবুক ইউজার দ্বারা আপনার পেইজের এর লাইক বাড়ানো হচ্ছে যা অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়।

যে ১০ টি ঘটনা প্রতি মিনিটে ঘটছে ফেসবুকে

বর্তমান সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সেটি আর নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহার করেন প্রায় ৯৬ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারী। আর এই বিপুল পরিমাণ ব্যবহারকারী প্রতিদিন এখানে আপলোড করছেন বিপুল পরিমাণ ছবি, ভিডিও পোস্ট, পাঠাচ্ছেন ম্যাসেজ। আপনি কি জানেন প্রতি মিনিটে ফেসবুকে কী ঘটছে? না জানলে চলুন জেনে নেওয়া যাক-

images

১. প্রতি মিনিটে ফেসবুকে যুক্ত হয় প্রায় ৫০০ নতুন অ্যাকাউন্ট।

২. ফেসবুক প্রতি মিনিটে আয় করে ১১,৭০০ ডলার।

৩. প্রতি মিনিটে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা শেয়ার করেন ৩,২৯৮,৬১১টি ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য লিংক।

৪. ফেসবুকে ১৩,৮৮৮টি অ্যাপ ইন্সটল করা হয় প্রতি মিনিটে।

৫. ফেসবুক ব্যবহারকারীরা প্রতি মিনিটে গড়ে ১ লাখ ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে থাকেন। ৬. ৪১৬টি অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের দখলে যায় প্রতি মিনিটে।

৭. ফেসবুকে বিভিন্ন ছবি, ভিডিও ও পোস্টে প্রতি মিনিটে লাইক পড়ে গড়ে ৩,১২৫,০০০টি।

৮. ফেসবুক ব্যবহারকারীরা প্রতি মিনিটে ৩২৩ দিনের সমান ভিডিও এখানে দেখে থাকেন।

৯. প্রতি মিনিটে ফেসবুকে ৫০ হাজারেরও বেশি লিংক শেয়ার করা হয়ে থাকে।

১০. ফেসবুক ব্যবহারকারীরা প্রতি মিনিটে আপলোড করেন ২৪৩,০৫৫টি ছবি।

Content Writer > 

ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে কী করতে হবে? জেনে নিন

অনলাইন বিজ্ঞাপনদাতারা বিজ্ঞাপনের জন্য ক্রমেই সোশাল নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট ফেইসবুকের দিকে ঝুঁকছেন। বর্তমানে ফেইসবুকে ২০ লাখেরও বেশি সক্রিয় বিজ্ঞাপন রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ আয় বিবরণীতে শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই ৫৬৩ কোটি ডলার আয়ের তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে শতকরা ৮০ ভাগই ছিলো মোবাইল বিজ্ঞাপন থেকে।

images ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে কী করতে হবে

অনেকক্ষেত্রেই বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফেইসবুক বিজ্ঞাপন দেওয়ার পদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ হয়ে থাকে। এতে বিজ্ঞাপনগুলোর উদ্দেশ্য তো মেটেই না, বরং বিজ্ঞাপনদাতার পয়সা খরচ হতে থাকে।

আপনি যদি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, নতুন উদ্যোক্তা বা কোনো প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়ে থাকেন, তবে ফেইসবুকে সাশ্রয়ে যথাযথভাবে উন্নতমানের বিজ্ঞাপন দিতে নিচের চারটি টিপস সহায়তা করবে আপনাকে।

১। কনভার্সন পিক্সেল:

প্রতিটি বিজ্ঞাপনের প্রচারণাকালে বিজ্ঞাপনদাতার উচিত কনভার্সন পিক্সেল তৈরি করা। বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য বিক্রি বাড়ানো বা ইমেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ যাই হোক না কেনো, কনভার্সন পিক্সেল অ্যাকুইজিশন প্রতি আপনার ব্যয়ের হিসেব রাখবে। এতে বিজ্ঞাপনটি কতোটা কার্যকরী ও সফল, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

২। বিজ্ঞাপনের অবস্থান:

ফেইসবুকে “অ্যাড ম্যানেজার” ফিচারে “ব্রেকডাউন” এর নিচেই রয়েছে “প্লেইসমেন্ট” অপশনটি। এ অপশনটি ব্যবহার করে ডেস্কটপ কম্পিউটার ও মোবাইলের নিউজ ফিড সহ অন্যান্য জায়গায় বিজ্ঞাপনের সফলতার উপর নজর রাখা এবং এর উপর ভিত্তি করে অকার্যকর বিজ্ঞাপনগুলো সরিয়ে নেওয়া সম্ভব। তাই ফেইসবুক বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সাশ্রয় করতে চাইলে এই অপশনে নজর রাখার কোনো বিকল্প নেই।

৩। সময়:

দিনের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে অনলাইনে ক্রেতাদের সাড়া পাওয়ার উপর ভিত্তি করে ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময়সূচি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। এজন্য ফেইসবুক অ্যাডস ম্যানেজার ফিচারে রয়েছে “বাই টাইম” অপশনটি। এটি ব্যবহার করে দৈনিক, সাপ্তাহিক, দ্বি-সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে বিজ্ঞাপনের সময়কাল নির্ধারণ করা যাবে।

৪। বয়স ও লিঙ্গ:

নারী-পুরুষ, তরুণ-বৃদ্ধ ভেদে পণ্যের চাহিদা এবং বিজ্ঞাপনে সাড়া দেওয়ার হার ভিন্ন হয়ে থাকে। একারণেই ফেইসবুক অ্যাড ম্যানেজারে “ব্রেকডাউন” অপশনের নিচেই থাকা “এইজ অ্যান্ড জেন্ডার” কলামে বয়স ও লিঙ্গভেদে ওয়েবসাইটে প্রবেশ, ব্যয় এবং কনভার্সনের হিসেব পাওয়া যাবে। এর ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য ও ধরন নির্ধারণ করলে সফলতা অর্জনের সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকখানি।

ফেইসবুক অ্যাডস ম্যানেজার ফিচারে এসব কিছু খুঁটিনাটি কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অপশন ব্যবহার করেই আপনার বিজ্ঞাপন থেকে সর্বোচ্চ লাভের মুখ দেখতে পারেন।

 

Collected From : Tunerpage.com

যে কাজগুলো ফেসবুকে কখনোই করবেন না

সাইবার ক্রাইমের ফাঁদ পাতা রয়েছে ফেসবুকে। ঘন ঘন স্ট্যাটাস দেওয়া, অপরিচিত কারো ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করার সময় আপনি নিজের অজান্তেই ফেক অ্যাকাউন্ট, হ্যাকিংয়ের ফাঁদে পড়ে যেতে পারেন। 

এই সকল বিপদ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হলে এই ৬টা জিনিস  ভুলেও কখনও ফেসবুকে করবেন না। যেমনঃ

520dffd0ecbcd-facebook-makes-you-sad যে কাজগুলো ফেসবুকে কখনোই করবেন না

১) ভুলেও ফেসবুকে বাড়ির ঠিকানা দেবেন না।

২) নিজের পাসওয়ার্ড আপনার ঘনিষ্ঠ কোনও বন্ধুকেও বলবেন না।

৩) ব্যক্তিগত মেসেজ বা চ্যাটেও এড়িয়ে চলুন ব্যক্তিগত কথা।

৪) ভূলভাল ছবি, ব্যক্তিগত ছবি, ঘনিষ্ঠ ছবি ফেসবুকে শেয়ার করবেন না। কাউকে চ্যাটেও পাঠাবেন না। ছবি বিকৃত করে ঘটতে পারে মারাত্মক ঘটনা।

৫) আপনি এই মুহূর্তে কোথায় আছেন, কার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক রয়েছে তাঁর নাম, রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ফেসবুকে দেবেন না।

৬)  জন্মদিনের তারিখ দেবেন না ফেসবুকে।

 

Content Writer : 

Collected : tunerpage.com

ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ন কিছু সেটিংস

এখানে এমনই ৫টি সেটিংসের কথা বলা হলো যা আপনার আজই বদলে ফেলা উচিত।

১. অটোপ্লেয়িং ভিডিও : ফেসবুকের নিউজ ফিড আপনাকে বেশ আরাম দেয়। কিন্তু এখানে একটি ভিডিওতে ক্লিক না করলেও ফেসবুক তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু করার ব্যবস্থা করে রেখেছে। উদ্দেশ্য আপনার মনোযোগ আকর্ষণ। তবে ভিডিও থেকে কিছুটা দূরে তীর চিহ্নে ক্লিক করে তা বন্ধ করতে পারেন। সেখানে ক্লিক করে সেটিং অপশনে যান। সেখানকার বিভিন্ন অপশন থেকে ‘ভিডিওস’ লিঙ্কটি দেখতে পাবেন বামপাশের কলামে। এর ড্রাপ ডাউন মেন্যুতে গিয়ে ‘অটো-প্লে ভিডিওস’ অফ করে দিন।

images ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ন কিছু সেটিংস

২. ক্লিয়ার সার্চ : ফেসবুকে হাজারবার সার্চ দিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসটি খুঁজে নেওয়া হয়। আপনার সব সার্চ ফেসবুক সংরক্ষণ করে। এগুলো মুছতে বামের মেন্যু থেকে ‘প্রাইভেসি’ ট্যাবে যান। সেখানে ‘হু ক্যান সি মাই স্টাফ?’-এ গিয়ে ‘ইউজ অ্যাকটিভিটি লগ’-এ যান। এখানেই ফেসবুক সব সেভ করে রাখে। সেখানে সার্চ অপশনের পরিবর্তে ‘মোর’ অপশন দেওয়া রয়েছে। সেখানে ‘ফটোস’ অপশনে ক্লিক করুন এবং যাবতীয় অপশন পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে ‘সার্চ’ অপশনে গেলেই আপনার যাবতীয় সার্চ খুঁজে পাবেন। ‘ক্লিয়ার সার্চেস’ ক্লিক করে সব মুছে ফেলুন।

৩. প্রাইভেসি সেটিং : আপনার পোস্ট বিশ্বের এক বিলিয়ন ব্যবহারকারী দেখুক তা নিশ্চয়ই চান না? ওপরের ডানে প্রোফাইল থেকে সেটিং-এ যান। সেখানে ‘প্রাইভেসি’তে ক্লিক করে ‘এডিট’ অবশনে যেতে হবে। ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে নিজের পছন্দ মতো গোপনীয়তা বেছে নিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনি পোস্টগুলো বন্ধুদের দেখাতে চাইবেন।

৪. আনওয়ান্টেড নোটিফিকেশন : যদি আগের চেয়ে অনেক বেশি নোটিফিকেশন আসতে থাকে, তবে এ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আবার ওপরের ডান থেকে ‘সেটিংস’-এ যান। সেখানে ‘নোটিফিকেশনস’ ট্যাব থেকে অপছন্দের বিষয়গুলো বাদ দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ‘ট্যাগস’ এবং বিভিন্ন গ্রুপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিতে পারেন। এখানে বন্ধুদের জন্মদিনের নোটিফিকেশনের অপশনও পাবেন।

৫. ‘সোশাল’ অ্যাডভারটাইজিং : এই বিষয়টির ওপর ফেসবুকে অর্থের বিশাল একটি উৎস নির্ভর করে। আপনার বন্ধুরা বা অন্যরা কী কিনছেন বা কী করছেন ইত্যাদি দেখতে পাবেন এখান থেকে। আবারো আগের মতোই ওপরের ডানপাশ থেকে ‘সেটিংস’-এ যান। ‘অ্যাডস’ ট্যাবে ক্লিক করুন। দুটো অপশন আসবে। সেখানে ‘এডিট’ বাটনে ক্লিক করুন এবং ‘ফ্রেন্ডস’ এর পরিবর্তে ‘নো ওয়ান’ অপশনটি বেছে নিন। এর মাধ্যমে আপনার তথ্য ফেসবুক অন্যের কাছে প্রকাশ না করলেও অন্যরা তাদের বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আপনাকে ঠিকই খুঁজে পাবে। তাই মনের মতো সেটিং এখুনি ঠিক করে নিন।

 

Content Writer :